Subscribe Us

header ads

রাসূল সা. এর জীবনি (পর্ব - ১৫) মক্কায় প্রবেশ

মক্কায় প্রবেশ


সাহাবী হযরত ইবনে উমর রা. বলেন,
دَخَلَ مَكَّةَ مِنْ كَدَاءٍ مِنَ الثَّنِيَّةِ العُلْيَا الَّتِي بِالْبَطْحَاءِ، وَخَرَجَ مِنَ الثَّنِيَّةِ السُّفْلَى
নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘সানিয়্যায়ে উলইয়া’ এর ‘বাতহা’ এর অন্তরগত ‘কাদা’ নামক স্থান দিয়ে মক্কায় প্রবেশ করেন। আর ‘সানিয়্যায়ে সুফলা’ দিয়ে বের হয়ে যান। (বুখারী শরীফ, হা. নং ১৫৭৬)
নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবায়ের ইবনে আওয়াম রা. কে মুহাজির সাহাবাদের আমীর বানিয়ে ‘হাজুন’ নামক স্থানে তার ঝান্ডা লাগানোর নির্দেশ দিয়ে তাকে মক্কার উঁচু অঞ্চল “কাদা” দিয়ে প্রবেশ করতে বললেন। আর তাকে নির্দেশ দিলেন যে, নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম “কাদা” দিয়ে প্রবেশ করে ‘হাজুন’ নামক স্থানে না আসা পর্যন্ত সে যেন স্থান ত্যাগ না করে। অপরদিকে হযরত খালিদ রা. কে অপর কিছু গোত্রের আমীর বানিয়ে লোকালয়ের নিকটবর্তী কোনো অঞ্চলে তার ঝান্ডা স্থাপনের নির্দেশ দিয়ে মক্কার নিচু অঞ্চল ‘কুদা’ দিয়ে প্রবেশ করতে বললেন। আর সা‘দ ইবনে উবাদা রা. কে আনসারদের একটি বাহিনীর সাথে প্রেরণ করলেন। সাথে সাথে এ নির্দেশও দিয়ে দিলেন যে, যারা লড়াই থেকে বিরত থাকে, তাদের সাথে যেন লড়াই না করা হয়।
নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সাহাবায়েকেরামকে নিয়ে মক্কায় প্রবেশ করেন, তখন তিনি ইহরাম অবস্থায় ছিলেন না। হাকেম রহ. বলেন,
وَلم يَخْتَلِفُوا انه دَخلهَا وَهُوَ حَلَال
এ বিষয়ে উলামায়ে কেরামের ঐক্যমত্য রয়েছে যে, ফাতহে মক্কার সময় মক্কায় প্রবেশকালে নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় ছিলেন না।   
ইহরাম গ্রহণ না করার কারণ হলো যে, ফাতহে মক্কার সময় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আল্লাহ তা‘আলা তার নবীর জন্য মক্কাকে হালাল করে দিয়েছিলেন। (উমদাতুল কারী, ৭:৫৩৭)

ফাতহে মক্কার সফরে নবীজীর অবস্থানস্থল

ফাতহে মক্কার এ সফরে নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবস্থানস্থল ছিলো ‘হাজুন’ নামক স্থানে। যেখানে নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবায়ের ইবনে আওয়াম রা. কে তার ঝান্ডা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ স্থানকে ‘শিআবে আবু তালেব’, ‘মুহাস্সাব’, ‘খাইফে বনু কিনানা’, ‘আবত্বহ’ প্রভৃতি নামেও অভিহিত করা হয়। এ স্থানেই মক্কার কাফেররা কুফরের উপর শপথ নিয়েছিলো। এখানে নবীজীর জন্য চামড়া দ্বারা তৈরিকৃত একটি তাবু টানানো হয়, নবীজী সে তাবুতেই অবস্থান নেন। (ফাতহুল বারী, ৬:১১৭; তাবাকাতে ইবনে সা‘আদ, ২:৩১৮) 
ইমাম নববী রহ. বলেন, ‘কুফরের উপর শপথ করা’ এর অর্থ হলো, মক্কার কাফেররা হিজরতের পূর্বে নবুওয়্যাতের সপ্তম বছরে যখন নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফেরদের মাঝে ইসলামের দাওয়াত দিতে শুরু করেন, এবং নবীজীর খান্দানও নবীজীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিধানে সচেষ্ট হয়, তখন নবীজীকে এবং নবীজীর খান্দান বনু হাশেম ও বনু মুত্তালিবকে মক্কা থেকে বয়কট করে ‘খাইফ’ এ নির্বাসিত করে। যেটা ছিলো মূলত বনু হাশেমের মালিকানাধীন পাহাড়ের এক ঘাটি, যাকে ‘শিআবে আবু তালেব’ বলা হতো। (উমদাতুল কারী, ৭:১৫০)

খান্দামা লড়াই!

মক্কায় প্রবেশের সময় কাফেররা বড় ধরণের কোনো প্রতিরোধ সৃষ্টি করতে না পারলেও ‘খান্দামা’ নামক স্থানে খালিদ রা. এর বাহিনীর বিরুদ্ধে তারা কিছুটা ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের চেষ্টা করে। নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগেই সাহাবাদেরকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন। ফলে কাফেরদের এ প্রতিরোধ ছিল মূলত হেরে যাওয়া লড়াইয়ে বিজয়ী হওয়ার ব্যর্থ প্রচেষ্টা। খালিদ রা. তাদেরকে নির্মমভাবে পরাজিত করেন।
হযরত আবু হুরাইরা রা. বলেন, ফাতহে মক্কার দিন নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আনসারদের ডেকে আনতে বললেন। আনসার সাহাবীরা সমবেত হলে বললেন,
«تَرَوْنَ الَى اوْبَاشِ قُرَيْشٍ، وَاتْبَاعِهِمْ»، ثُمَّ قَالَ بِيَدَيْهِ احْدَاهُمَا عَلَى الْاخْرَى «احْصُدُوهُمْ حَصْدًا»ثُمَّ قَالَ: «حَتَّى تُوَافُونِي بِالصَّفَا»،
“কুরাইশ ও তাদের অনুসারীদের দলসমূহ তোমরা দেখতে পাচ্ছো”, এরপর নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম করণীয় সম্পর্কে হাত দ্বারা ইশারা করে বললেন, ‘তোমরা তাদেরকে কর্তিত ফসলের ন্যায় কেটে ফেলো’, এরপর বললেন, “এরপর তোমরা আমার সাথে সাফা পাহাড়ে মিলিত হবে”। (মুসলিম শরীফ, হা. নং ১৭৮০)
এ লড়াইয়ে কুরাইশদের ২৪ জন এবং তাদের সহযোগী হুজাইল গোত্রের ৪ জন নিহত হয়। সাহাবায়ে কেরামের মধ্য হতে মাসলামা জুহানী রা. ও কুরয ইবনে জাবের ফিহরী রা. শহীদ হন। (বুখারী শরীফ, হা. নং ৪২৮০; ফাতহুল বারী, ৭:৬৪৭)

‘বিনয়ী’ বেশে ‘বিজয়ী’ র পদার্পণ!

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা দুনিয়ার রাজা বাদশাদের রীতি-নীতি সম্পর্কে উল্লেখ করে ইরশাদ করেন,
انَّ الْمُلُوْکَ اذَا دَخَلُوْا قَرْیَۃً افْسَدُوْهَا وَجَعَلُوْۤا اعِزَّۃَ اهْلِهَاۤ اذِلَّۃًۚ 
‘রাজা-বাদশাগণ যখন কোনো জনপদে ঢুকে পড়ে, তখন তাকে ধ্বংস করে ফেলে, এবং তার মর্যাদাবান বাসিন্দাদেরকে লাঞ্চিত করে ছাড়ে।’ (সূরা নামল, আয়াত:৩৪)
যদি ইতিহাসের পাতা উল্টানো হয়, তবে ইসলামের আলো বঞ্চিত সম্রাজ্যবাদী মানসিকতার বাদশাহদের ক্ষেত্রে আল্লাহর এ বাণীর সত্যতা দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রমাণিত হবে। এর বিপরীতে এ সত্যও উদ্ভাসিত হবে যে, ইসলামের আলোয় আলোকিত অন্তকরণের অধিকারী কোনো মর্দে মুজাহিদ যখন বিজয়ী বেশে কোনো জনপদে প্রবেশ করেছেন, তখন তা ধ্বংস করার পরিবর্তে ইসলামের শাশ্বত বিধানমতে সেখানকার অধিবাসীদের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করেছেন। ক্ষমা, উদারতা আর মহানুভবতার দৃষ্টান্ত স্থাপনে ব্রতী হয়েছেন। 
ইসলামের এ সোনালী ইতিহাস কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটাই ইসলামের শিক্ষা এবং ইসলামের নবীর দীক্ষা, দশ বছর কাফেরদের অবর্ণনীয় নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়ে যিনি আপন মাতৃভূমি ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন এবং মদীনার ভূমিতেও কাফেররা যাকে স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি, সেই মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামই যখন আত্মোৎসর্গী সাহাবাদেরকে নিয়ে যারা তার কথায় প্রাণ বিলিয়ে দেওয়াকেও সামান্য জ্ঞান করতো, বিজয়ী বেশে আপন মাতৃভূমিতে প্রবেশ করলেন, তখন ঔদ্ধত্য, অহংকার আর প্রতিশোধস্পৃহার স্থলে স্থাপন করলেন বিনয়-নম্রতা এবং ক্ষমা ও উদারতার এক বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত। 
আজকের দুনিয়া কি পারবে বিজাতীয়দের ইতিহাস ঘেটে এমন একটিমাত্র তুলনা পেশ করতে? কখনই তা পারবে না। এ গৌরবের অধিকার শুধু ইসলামের নবীর, এ সম্মানের প্রাপ্তিটুকু কেবল সে নবীর অনুসারীদের।  
মক্কায় প্রবেশকালে নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের আচরণে-উচ্চারণে ঔদ্ধত্য কিংবা অহংকার তো ছিলই না; বরং প্রতিটি পদক্ষেপে ঝরে পড়ছিলো বিনয়-নম্রতা আর আল্লাহ তা‘আলার প্রতি কৃতজ্ঞতা। এ যেন বিজয়ী সেনাপতির বেশে বিনয়ী বান্দা। 
হযরত আনাস রা. বলেন, ফাতহে মক্কার সময় নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় এমন অবস্থায় প্রবেশ করেন যে, বিনয়বশতঃ তার থুতনী সওয়ারীর পিঠের সাথে লেগে যাচ্ছিলো। মনে হচ্ছিলো, নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেন কৃতজ্ঞতার সেজদায় পড়ে আছেন! (মুসতাদরাকে হাকেম, হা. নং ৭৮৮৮)
নবীজীর বিনয়মাত্রা এতটা ছিলো যে, প্রবেশকালে তিনি তেজস্বী ঘোড়ার পরিবর্তে সাধারণ উটনীতে আরোহণ করেন এবং উঁচু স্তরের কোনো সাহাবীর পরিবর্তে নিজের পেছনে গোলাম পালকপুত্র যায়দ রা. এর ছেলে উসামা রা. কে বসিয়ে প্রবেশ করেন! (বুখারী শরীফ, হা. নং ৪২৮৯)

হাজরে আসওয়াদ চুম্বন ও কাবা ঘরের তাওয়াফ

এরপর নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে হারামে প্রবেশ করেন। প্রথমে হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করেন। এরপর বাইতুল্লাহর তওয়াফ করেন। (মুসলিম শরীফ, হা. নং ১৭৮০)
হযরত ইবনে উমর রা. বলেন, নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতহে মক্কার দিন তার উটনী ‘কাসওয়া’তে আরোহণ করে তওয়াফ করেন। এবং হাতে থাকা বক্র মাথা বিশিষ্ট লাঠি দ্বারা ‘রুকন’ স্পর্শ করেছিলেন। (সহী ইবনে খুজাইমা, হা. নং ২৭৮১; যাদুল মা‘আদ, ৩:৩৫৮)

কাবার আশেপাশের মূর্তি অপসারণ

ইসলাম তাওহীদ ও একত্ববাদের ধর্ম। পৌত্তলিকতা আর মূর্তিপূজার কোনো অবকাশ ইসলামে নেই। এ কারণেই ইসলামে সবচেয়ে বড় গুনাহ যা আল্লাহ তা‘আলা কখনো ক্ষমা করবেন না তা হলো “শিরক”। ছবি আঁকা বা ভাষ্কর্য তৈরি করা সহ ‘শিরক’ এর সকল চোরাপথ ইসলামে কঠিনভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফাতহে মক্কার সময় কাবা ও তার আশেপাশের এবং সমগ্র মক্কার মূর্তি ও পূজামণ্ডপগুলো নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কঠোরতার সাথে নিশ্চিহ্ন করেছিলেন, তা দ্ব্যর্থহীনভাবে পৌত্তলিকতা সম্পর্কে ইসলামের সেই অনঢ় অবস্থানকেই প্রমাণিত করে।
শিরক ও পৌত্তলিকতা বিরোধী একত্বাবাদের ধর্ম ইসলামের অনঢ় অবস্থানকে সুস্পষ্ট করার নিমিত্তেই এতদ্বসংক্রান্ত হাদীসের বর্ণনাগুলো আমরা পাঠক সম্মুখে কিছুটা বিস্তারিত উদ্ধৃত করার প্রয়াস পাবো। পরিশেষে একটি বানোয়াট বর্ণনার অসারতা তুলে ধরতেও সচেষ্ট হবো।
ফাতহে মক্কার সময় কাবার চতুর্পার্শ্বে সর্বমোট তিনশত ষাটটি মূর্তি রাখা ছিলো। নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হাতের লাঠির দ্বারা মূর্তিগুলোর দিকে ইশারা করেন, তখন মোজেজা স্বরূপ স্পর্শ করা ছাড়া শুধু ইশারাতেই মূর্তিগুলো মুখ থুবড়ে পড়ে যেতে থাকে।
ইবনে মাসউদ রা. বলেন ফাতহে মক্কার দিন নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় প্রবেশ করেন, তখন বাইতুল্লার চারপাশে তিনশত ষাটটি মূর্তি ছিলো। নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতের একটি লাঠি দ্বারা মূর্তিগুলোকে আঘাত করছিলেন এবং যবানে এ আয়াত পড়ছিলেন,
"جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ انَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوْقًا"○  "جَاءَ الْحَقُّ وَمَا يُبْدِئُ الْبَاطِلُ وَمَا يُعِيْدُ"○
‘সত্য এসে গেছে এবং মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই মিথ্যা এমন জিনিস, যা বিলুপ্ত হওয়ারই।’ সত্য এসে গেছে আর মিথ্যা না পারে কিছু শুরু করতে আর না পারে কিছু পুনরাবৃত্তি করতে!’ (মুসলিম শরীফ, ১৭৮১)
হযরত ইবনে আব্বাস রা. বলেন,
«دَخَلَ رَسُولُ اللهِ  صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ  يَوْمَ الْفَتْحِ وَعَلَى الْكَعْبَةِ ثَلَاثُمِائَةٍ وَسِتُّونَ صَنَمًا، وَقَدْ شَدَّ لَهُمْ ابْلِيسُ اقْدَامَهُمْ بِالرَّصَاصِ، فَجَاءَ وَمَعَهُ قَضِيبُهُ فَجَعَلَ يَهْوِي بِهِ الَى كُلِّ صَنَمٍ مِنْهَا فَيَخِرُّ لِوَجْهِهِ،
ফাতহে মক্কার দিন নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন (মসজিদে হারামে) প্রবেশ করলেন, তখন কাবার পাশে তিনশত ষাটটি মূতি রাখা ছিলো, যেগুলোর পা ইবলিস শয়তান (মাটির সাথে) সীসা দ্বারা বেঁধে রেখেছিলো। নবীজী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাতের লাঠির দ্বারা মূর্তিগুলোর দিকে ইশারা করা মাত্রই তা মুখ থুবড়ে পড়ে যেতে লাগলো। (তাবারানী কাবীর, হা. নং ১০৬৫৬; মাজমাউজ যাওয়ায়েদ, হা. নং ১০২৫৪)

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

//