المتن الأصلي (মূল কিতাবের ইবারত)
নিচের মূল আরবি ইবারতের প্রতিটি শব্দের ওপর মাউস হোভার করুন (বা মোবাইলে স্পর্শ করুন) সরাসরি শব্দার্থ দেখার জন্য। উপরে থাকা বাটন ব্যবহার করে এক ক্লিকে হরকত চালু/বন্ধ ও ইবারত কপি করতে পারেন:
"এবং মুনাদার মধ্যে ‘তারখীম’ করা সাধারণভাবে জায়েয, আর মুনাদা ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে তা কেবল কাব্যের প্রয়োজনে (ضرورة شعرية) জায়েয। আর ‘তারখীম’ হলো: শব্দের উচ্চারণ হালকা ও সহজ করার উদ্দেশ্যে তার শেষাংশ থেকে কোনো কিছু মাহযুফ (محذوف / বিলুপ্ত) করা। এবং তারখীমের জন্য শর্ত হলো: মুনাদাটি যেন মুযাফ (مضاف) না হয়, মুস্তাগাছ (مستغاث / সাহায্য প্রার্থনাকৃত) না হয় এবং কোনো জুমলা (جملة / বাক্য) না হয়; এবং মুনাদাটি হতে হবে এমন ‘আলম’ (علم / নির্দিষ্ট নাম) যা তিন অক্ষরের অধিক বিশিষ্ট, অথবা তা-এ তানীস (تاء التأنيث / স্ত্রীলিঙ্গবাচক তা) বিশিষ্ট।"
দরসের পটভূমি ও রূপরেখা (تشریح)
আজকের ৫৮তম দরসে কিতাবের মুসান্নিফ আল্লামা ইবনু হাজিব (রহ.) মুনাদার একটি বিশেষ শৈল্পিক ও ধ্বনিতাত্ত্বিক নিয়ম ‘তারখীম’ (الترخيم) নিয়ে আলোচনা করেছেন:
- প্রথম বিষয়: তারখীম (الترخيم)-এর শাব্দিক তাহকীক্ব ও পারিভাষিক তা'রীফ।
- দ্বিতীয় বিষয়: তারখীমের ব্যাকরণিক বিধান বা হুকুম (মুনাদার ক্ষেত্রে এবং মুনাদা ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে)।
- তৃতীয় বিষয়: মুনাদায় তারখীম শুদ্ধ হওয়ার পাঁচটি আবশ্যিক শর্ত ও তাদের প্রত্যেকের সূক্ষ্ম নাহবী রহস্য।
১. প্রথম বিষয়: তারখীমের শাব্দিক ও পারিভাষিক তা'রীফ
«وَهُوَ حَذْفٌ فِي آخِرِهِ تَخْفِيفاً»
১.১ শাব্দিক (لغوی) অর্থ
‘تَرْخِيمٌ’ শব্দটি বাবে তাফঈল (تفعيل) থেকে গঠিত একটি মাসদার। আরবি অভিধানে এর মূল অর্থ হলো: «النُّعُومَةُ وَالتَّسْهِيلُ» — অর্থাৎ কোনো কঠোর বা ভারী জিনিসকে নরম করা, কোমল করা, সহজ ও সাবলীল করা।
১.২ পারিভাষিক (اصطلاحی) তা'রীফ
পারিভাষিক সংজ্ঞা:
«وَهُوَ حَذْفٌ فِي آخِرِهِ تَخْفِيفاً»
অর্থ: উচ্চারণকে হালকা ও সহজ করার উদ্দেশ্যে কোনো ইসমের শেষাংশ থেকে কোনো বর্ণ বা অংশ মাহযূফ (বিলুপ্ত) করাকে ‘তারখীম’ বলা হয়। আর যার শেষাংশ থেকে এই বিলুপ্তি ঘটানো হয়, তাকে ব্যাকরণের ভাষায় ‘মুনাদায়ে মুরখখাম’ (المنادى المرخّم) বলা হয়[১]।
১.৩ কর্তনের পরিমাণের বিভিন্ন রূপ (দৃষ্টান্তসহ)
- এক হরফ মাহযূফ হওয়ার দৃষ্টান্ত: «حَارِث» (হারিস) থেকে শেষাক্ষর ‘সা’ মাহযূফ করে বলা হয়: «يَا حَارِ» (হে হারিস!)।
- দুই হরফ মাহযূফ হওয়ার দৃষ্টান্ত: «عُثْمَان» (উসমান) থেকে ‘আলিফ ও নূন’ মাহযূফ করে বলা হয়: «يَا عُثْمَ» (হে উসমান!)।
- পূর্ণাঙ্গ একটি শব্দ মাহযূফ হওয়ার দৃষ্টান্ত: মুরাক্কেবে মান‘এ সারফ «بَعْلَبَكَّ» (একটি শহরের নাম) থেকে দ্বিতীয় শব্দটি মাহযূফ করে বলা হয়: «يَا بَعْلَ» (হে বা‘লাবাক্কা!)।
২. দ্বিতীয় বিষয়: তারখীমের বিধান বা হুকুম
«وَتَرْخِيمُ الْمُنَادَى جَائِزٌ، وَفِي غَيْرِهِ ضَرُورَةً»
মুসান্নিফ তারখীমের বিধানকে দুটি স্বতন্ত্র ক্ষেত্রে বিভক্ত করেছেন:
- ১. মুনাদার ক্ষেত্রে তারখীম: «جَائِزٌ» (মুতলাক্বভাবে জায়েয):
গদ্য বা পদ্য সর্বাবস্থায় মুনাদার শেষাংশে তারখীম করা সম্পূর্ণ জায়েয ও বিশুদ্ধ। এর পেছনে দুটি জোরালো কারণ রয়েছে:- প্রথম কারণ: আরবি ভাষায় নিদা বা ডাকার ব্যবহার অত্যন্ত ব্যাপক (كثرت استعمال)। আর ব্যবহারের আধিক্য সর্বদা উচ্চারণ হালকা করার দাবি রাখে।
- দ্বিতীয় কারণ: মুনাদা স্বয়ং বক্তার মূল উদ্দেশ্য নয়; বরং তা আসল বক্তব্যের একটি প্রাথমিক ভূমিকা মাত্র (تمهيد)। বক্তার আসল উদ্দেশ্য হলো ডাকার পরবর্তী কথা। তাই মুতাকাল্লিম চায় যত দ্রুত সম্ভব এই ভূমিকা শেষ করে মূল বক্তব্যে প্রবেশ করতে। তারখীমের মাধ্যমে দ্রুততা ও স্বাচ্ছন্দ্য অর্জিত হয়।
- ২. মুনাদা ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে তারখীম: «وَفِي غَيْرِهِ ضَرُورَةً» (কেবল কাব্যের প্রয়োজনে জায়েয):
সাধারণ অবস্থায় কোনো ফে‘ল, হরফ কিংবা মুনাদা ছাড়া অন্য কোনো সাধারণ ইসমের শেষাংশ কেটে ফেলা সম্পূর্ণ নাজায়েয। তবে কবিগণ যখন কবিতা রচনা করতে গিয়ে ছন্দের অন্ত্যমিল বা ওযন ঠিক রাখার চরম সংকটে পড়েন (যাকে পরিভাষায় ‘যরূরাতে শেইরিয়্যাহ’ — ضرورة شعرية বলা হয়), কেবল তখনই মুনাদা ছাড়া অন্য শব্দেও তারখীম করা জায়েয। সাধারণ গদ্যে (نثر) এটি কোনোভাবেই বৈধ নয়[২]।
৩. তৃতীয় বিষয়: মুনাদার তারখীমের শর্তাবলী
«وَشَرْطُهُ: أَنْ لَا يَكُونَ مُضَافاً، وَلَا مُسْتَغَاثاً، وَلَا جُمْلَةً...»
কিতাবের মুসান্নিফ মুনাদায় তারখীম জায়েয হওয়ার জন্য মোট পাঁচটি শর্ত উল্লেখ করেছেন। তন্মধ্যে প্রথম চারটি নেতিবাচক শর্ত (যা না হওয়া আবশ্যক) এবং পঞ্চমটি ইতিবাচক শর্ত:
৩.১ প্রথম শর্ত: «أَنْ لَا يَكُونَ مُضَافاً» (মুনাদাটি মুযাফ না হওয়া)
হাক্বীক্বত: মুনাদা মুযাফ হলে তার মধ্যে তারখীম জায়েয হবে না; যেমন: «يَا غُلَامَ زَيْدٍ» (হে যায়েদের দাস!)—এতে তারখীম করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
- লফযী দিক: বাহ্যিকভাবে মুযাফ ও মুযাফ ইলাইহি দুটি সম্পূর্ণ পৃথক শব্দ।
- মা‘নবী দিক: অর্থগত বিবেচনায় মুযাফ ও মুযাফ ইলাইহি মিলে একটি মাত্র অখণ্ড শব্দ (ككلمة واحدة)।
- নাহবী কারণ: এখন যদি মুযাফের শেষাংশে তারখীম করা হয়, তবে একটি শব্দের মাঝখানে কেটে ফেলার মতো মারাত্মক বিকৃতি ঘটবে। আর যদি মুযাফ ইলাইহির শেষাংশে তারখীম করা হয়, তবে তা লফযী দিক থেকে অন্যায় হবে; কারণ মুযাফ ইলাইহি তো আসল মুনাদাই নয়! সুতরাং উভয় দিক রক্ষা করতেই মুযাফের মধ্যে তারখীমকে সম্পূর্ণ নাজায়েয সাব্যস্ত করা হয়েছে।
৩.২ দ্বিতীয় শর্ত: «وَلَا مُسْتَغَاثاً» (মুনাদাটি মুস্তাগাছ না হওয়া)
সাহায্য প্রার্থনার জন্য ব্যবহৃত মুনাদায় (مستغاث) তারখীম জায়েয নেই। কারণ মুস্তাগাছ মূলত দুই প্রকার, এবং উভয়ের মাঝেই তারখীম অর্থবিধ্বংসী:
- (১) মুস্তাগাছ বিল-আলিফ (مستغاث بالألف): যেমন: «يَا زَيْدَاهُ» (হায় যায়েদ, সাহায্যে এগিয়ে এসো!)। এখানে শেষাংশে আলিফ আনা হয় আর্তনাদের আওয়াজ দীর্ঘ করার উদ্দেশ্যে (مد الصوت)। যদি তারখীম করে আলিফ কেটে দেওয়া হয়, তবে আর্তচিৎকারের মূল উদ্দেশ্যই ধ্বংস হয়ে যাবে। অধিকন্তু, «يَا زَيْدَاهُ» থেকে আলিফ কাটলে তা «يَا زَيْدَ» হয়ে সাধারণ মুনাদার সাথে সন্দেহ (التباس) তৈরি করবে।
- (২) মুস্তাগাছ বিল-লাম (مستغاث باللام): যেমন: «يَا لَزَيْدٍ»। এতে তারখীম করলে ‘লামে ইস্তিগাছাহ’ বিনষ্ট হওয়ার উপক্রম হবে এবং সাহায্য প্রার্থনার অর্থ অস্পষ্ট হয়ে পড়বে।
৩.৩ তৃতীয় শর্ত: «وَلَا جُمْلَةً» (মুনাদাটি কোনো জুমলা না হওয়া)
কোনো পূর্ণাঙ্গ বাক্যকে যখন কারো নাম হিসেবে রাখা হয় (যেমন আরবরা নাম রাখত: «تَأَبَّطَ شَرّاً» — সে বগলে অনিষ্ট ধারণ করেছে; কিংবা «شَابَ قَرْنَاهَا» — তার দুই শিং সাদা হয়েছে), তখন সেই নামের মধ্যে তারখীম করা নাজায়েয:
- ১. মাবনী হওয়া: জুমলা যখন আলম বা নাম হয়, তখন তা হেকায়াত হিসেবে মাবনী হয়ে যায়; আর মাবনীর শেষাক্ষর কখনো পরিবর্তন বা কর্তন করা যায় না।
- ২. ঐতিহাসিক অর্থ বিনষ্ট হওয়া: জুমলা আলম মূলত কোনো বিশেষ ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতি ধরে রাখার জন্য রাখা হয়। তার শেষাংশ কেটে ফেললে সেই ঐতিহাসিক ঘটনার মূল ইঙ্গিত চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
৩.৪ চতুর্থ শর্ত: «وَيَكُونَ إِمَّا عَلَماً زَائِداً عَلَى ثَلَاثَةِ أَحْرُفٍ» (৩ অক্ষরের অধিক বিশিষ্ট ‘আলম’ হওয়া)
এখানে দুটি সূক্ষ্ম ক্বায়দা একত্রিত রয়েছে:
- ‘আলম’ (নির্দিষ্ট নাম) হওয়া: কোনো ইসমে জিন্স বা সাধারণ জাতিবাচক নামে তারখীম জায়েয নেই (যেমন ‘رَجُل’ থেকে ‘يَا رَجُ’ বলা যাবে না)। কারণ সাধারণ নামে আলমের মতো ব্যবহারের প্রাচুর্য থাকে না।
- তিন অক্ষরের বেশি হওয়া: নামটি কমপক্ষে চার বা ততোধিক অক্ষরের হতে হবে; যেমন: «مَنْصُور» (পাঁচ অক্ষর) থেকে «يَا مَنْصُ»।
রহস্য: আরবি ভাষার মু‘রাব ইসমের মৌলিক ভিত্তি হলো তা কমপক্ষে তিন অক্ষরবিশিষ্ট হতে হয়। চার অক্ষরের নামের শেষ থেকে এক অক্ষর কাটলে অন্তত তিনটি অক্ষর অবশিষ্ট থাকে, যা শব্দের ভারসাম্য রক্ষা করে। কিন্তু তিন অক্ষরের শব্দ (যেমন: «زَيْد» বা «عَمْر») থেকে এক অক্ষর কেটে দিলে তা মাত্র দুই অক্ষরের পঙ্গু শব্দে পর্যবসিত হবে, যা আরবিতে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
কূফী ও বসরী মাযহাবের পর্যালোচনা (الملاحظة)
- কূফী আলেমদের দাবি: যদি তিন অক্ষরের কোনো নামের মাঝের অক্ষরটি হরকতযুক্ত (متحرك الأوسط) হয়; যেমন: «عُمَرُ» (উমার), তবে তারা মধ্যবর্তী হরকতকে চতুর্থ অক্ষরের স্থলাভিষিক্ত ধরে তারখীম জায়েয বলেছেন এবং «يَا عُمْ» পড়ার অনুমতি দিয়েছেন।
- তাহকীক্ব ও খণ্ডন: গায়াতুত তাহকীক্ব কিতাবে এই মতকে অত্যন্ত দুর্বল (ضعيف) সাব্যস্ত করে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে; কারণ এটি বিশুদ্ধ ভাষারীতির পরিপন্থী। আর যারা তিন অক্ষরের সাকিনুল আওসাত (যেমন: «زَيْد»)-এ তারখীম করে «يَا زَيْ» পড়ার দাবি করেন, তাদের মতটি আরও অধিক দুর্বল ও অগ্রহণযোগ্য[৩]।
৩.৫ পঞ্চম শর্ত: «وَإِمَّا بَتَاءِ التَّأْنِيثِ» (অথবা তা-এ তানীসযুক্ত ইসম হওয়া)
যদি কোনো ইসম ‘আলম’ নাও হয় এবং চার অক্ষরের কমও হয়, তবুও তাতে তারখীম করা জায়েয হবে—যদি তার শেষাক্ষরে একটি ‘তা-এ তানীস’ (গোল তা ‘ة’) যুক্ত থাকে!
- দৃষ্টান্ত: «ثُبَة» (একটি ছোট দল) থেকে তা বিলুপ্ত করে বলা যায়: «يَا ثُبُ» (হে দল!)।
- নাহবী রহস্য: এই তা-এ তানীসটি মূলত শব্দের মৌলিক অক্ষর নয়; বরং এটি অতিরিক্ত (زائدة) এবং ওয়াক্বফের স্থানে বিদ্যমান। অতিরিক্ত হরফ দূর করা শব্দের মূল দেহের ক্ষতি করে না।
- আপত্তি ও সমাধান: «ثُبَة» থেকে তা ফেলে দিলে তো এটি দুই অক্ষরে নেমে আসল, যা পূর্বে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল! এর উত্তর হলো—আমরা সেই শব্দকে দুই অক্ষরে নামাতে নিষেধ করেছি যা তারখীমের কারণে দুই অক্ষরে নেমে যায়। কিন্তু «ثُبَة» শব্দটি তো তারখীমের পূর্বেই মূলত দুই অক্ষরের ছিল, তা-টি কেবল অতিরিক্ত হিসেবে শেষে এসেছিল।
হাশিয়ার বিশেষ সতর্কতা: সিফাতে তারখীম নিষিদ্ধ
হাশিয়ার মধ্যে সুস্পষ্টভাবে শর্ত করা হয়েছে যে, এই তা-এ তানীসটি যেন কোনো সিফাত বা গুণবাচক শব্দে না হয়; যেমন: «فَاسِقَة» (পাপী নারী) কিংবা «فَاجِرَة» (ব্যভিচারিণী নারী)। কারণ সিফাত থেকে তা কেটে ফেলা হলে (যেমন: «يَا فَاسِقُ» বা «يَا فَاجِرُ»), তা পুরুষের সীগাহর সাথে পুরোপুরি সংমিশ্রিত (ملتبس) হয়ে যাবে; ফলে কোনোভাবেই বোঝার উপায় থাকবে না যে সম্বোধনটি পুরুষকে করা হয়েছে নাকি নারীকে। তাই সিফাতের মধ্যে তারখীম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
خلاصة الدرس (দরসের সার্বিক নির্যাস)
- ১. তারখীমের তা'রীফ: কালিমার উচ্চারণ সহজ ও সাবলীল করার উদ্দেশ্যে তার শেষাংশ থেকে হরফ বিলুপ্ত করা; যেমন: «حَارِث» থেকে «يَا حَارِ»।
- ২. তারখীমের হুকুম: মুনাদার ক্ষেত্রে মুতলাক্বভাবে জায়েয; কিন্তু মুনাদা ছাড়া অন্য ক্ষেত্রে সাধারণ গদ্যে নাজায়েয, কেবল কাব্যের প্রয়োজনে (ضرورة شعرية) জায়েয।
- ৩. তারখীমের ৪টি নেতিবাচক শর্ত:
- মুনাদা মুযাফ হতে পারবে না («أَنْ لَا يَكُونَ مُضَافاً»)।
- মুনাদা মুস্তাগাছ হতে পারবে না («وَلَا مُسْتَغَاثاً»)।
- মুনাদা কোনো পূর্ণ জুমলা হতে পারবে না («وَلَا جُمْلَةً»)।
- মুনাদা তিন অক্ষরের কম হতে পারবে না।
- ৪. ইতিবাচক শর্ত (যেকোনো একটি আবশ্যক):
- মুনাদাটি তিন অক্ষরের অধিক বিশিষ্ট ‘আলম’ হতে হবে (যেমন: «يَا مَنْصُ»)।
- অথবা মুনাদার শেষে তা-এ তানীস থাকতে হবে (যেমন: «يَا ثُبُ»); তবে তা কোনো সিফাত বা গুণবাচক শব্দ হতে পারবে না।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন