المتن الأصلي (মূল কিতাবের ইবারত)
নিচের মূল আরবি ইবারতের প্রতিটি শব্দের ওপর মাউস হোভার করুন (বা মোবাইলে স্পর্শ করুন) সরাসরি শব্দার্থ দেখার জন্য। উপরে থাকা বাটন ব্যবহার করে এক ক্লিকে হরকত চালু/বন্ধ ও ইবারত কপি করতে পারেন:
"মাফ‘ঊলে বিহী: তা হলো এমন ইসম, যার ওপর ফায়িলের ফে‘ল واقع হয়েছে; যেমন: «ضَرَبْتُ زَيْداً» (আমি যায়েদকে প্রহার করেছি)। এবং কখনো কখনো তা ফে‘লের পূর্বেও মুক্বাদ্দাম হয়; যেমন: «زَيْداً ضَرَبْتُ» (যায়েদকেই আমি প্রহার করেছি)। এবং কোনো ক্বরীনা (প্রমাণ) বিদ্যমান থাকার কারণে কখনো জাওয়াযীভাবে (জায়েয হিসেবে) ফে‘ল মাহযুফ (محذوف) করা হয়; যেমন কোনো ব্যক্তির «مَنْ أَضْرِبُ؟» (আমি কাকে প্রহার করব?) প্রশ্নের জবাবে আপনার «زَيْداً» (যায়েদকে) বলা। এবং চারটি স্থানে ওয়াজিবীভাবে ফে‘লকে মাহযুফ করা হয়; তন্মধ্যে প্রথম স্থানটি হলো সামাঈ (আরবদের প্রয়োগ থেকে শ্রুত); যেমন: «امْرَأً وَنَفْسَهُ», কুরআন কারীমের আয়াত ﴿انْتَهُوا خَيْراً لَّكُمْ﴾ এবং আরবদের প্রচলিত উক্তি «أَهْلاً وَسَهْلاً»।"
দরসের পটভূমি ও রূপরেখা (تشریح)
আজকের ৫২তম দরসে মুসান্নিফ আল্লামা ইবনু হাজিব (রহ.) মানসূবাতের দ্বিতীয় মৌলিক প্রকার মাফ‘ঊলে বিহী (المفعول به)-এর পরিচয় ও তার আমেলের বিধান নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছেন:
- প্রথম বিষয়: মাফ‘ঊলে বিহী-এর শাব্দিক তাহকীক্ব, পারিভাষিক তা'রীফ এবং ফায়ায়েদে কুয়ুদ (فوائد القيود)।
- দ্বিতীয় বিষয়: মাফ‘ঊলে বিহী সংক্রান্ত জরুরি তিনটি মৌলিক মাসআলা:
- ১ম মাসআলা: মাফ‘ঊলে বিহীকে স্বীয় আমেল ফে‘লের পূর্বে মুক্বাদ্দাম করার জাওয়াযী ও ওয়াজিবী সূরত।
- ২য় মাসআলা: ক্বরীনার উপস্থিতিতে আমেল ফে‘লকে জাওয়াযীভাবে মাহযূফ করা (মাক্বালী ও হালী ক্বরীনার বিশ্লেষণ)।
- ৩য় মাসআলা: আমেল ফে‘লকে ওয়াজিবীভাবে মাহযূফ করার প্রথম স্থান (সামাঈ)-এর ৪টি প্রসিদ্ধ মেছাল ও আক্বীদাগত আপত্তি-সমাধান।
১. প্রথম বিষয়: মাফ‘ঊলে বিহী-এর তা'রীফ ও ফায়ায়েদে কুয়ুদ
১.১ শাব্দিক ও লুগাভী তাহকীক্ব
- সীগাহর বিশ্লেষণ: ‘المفعول’ শব্দটি বাবে যারাবা থেকে গঠিত ইসমে মাফ‘ঊল-এর সীগাহ।
- আলিফ-লামের অর্থ: এর শুরুতে বিদ্যমান ‘ال’ হলো ইসমে মাওসূল ‘الذي’-এর অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- হরফে জারের তাৎপর্য: ‘به’-এর মধ্যে ‘ب’ হরফে জারটি ‘সাবাবিয়্যাহ’ (কারণবাচক) অথবা ‘ইলছাক্ব’ (সংস্পর্শ)-এর অর্থে এসেছে।
- যমীরের মারজা: ‘ه’ যমীরটি ‘المفعول’-এর শুরুর ইসমে মাওসূলের দিকে প্রত্যাবর্তন করছে।
- সামগ্রিক শাব্দিক অর্থ: «أَيِ: الَّذِي فُعِلَ الْفِعْلُ لِأَجْلِهِ» — অর্থাৎ যার কারণে বা যার ওপর ভিত্তি করে ফে‘লটি বাস্তবায়িত হয়েছে।
১.২ পারিভাষিক তা'রীফ (تعريف)
সংজ্ঞা: মাফ‘ঊলে বিহী হলো এমন ইসম, যার ওপর ফায়িলের ফে‘লটি واقع হয়েছে। চাই উক্ত ফে‘লটি ইতিবাচক (মুছবাত) হোক বা নেতিবাচক (মানফী) হোক[১]।
১.৩ ফায়ায়েদে কুয়ুদ (সংজ্ঞার শর্তসমূহের বিশ্লেষণ)
- ‘هُوَ’: এটি মুবতাদা বা যমীর, যা সংজ্ঞায়িত বিষয় ‘المفعول به’-এর দিকে ফিরছে।
- ‘مَا’ (جنس): এটি সংজ্ঞার জিনস। এর মাধ্যমে দুনিয়ার সমস্ত ইসম (اسماء) সংজ্ঞার আওতায় প্রবেশ করে।
- ‘وَقَعَ عَلَيْهِ فِعْلُ الْفَاعِلِ’ (فصل): এটি সংজ্ঞার ফাসল বা পার্থক্যকারী শর্ত। এর মাধ্যমে অন্যান্য সমস্ত আসমা—যেমন: ফায়িল, নায়েবে ফায়িল, মাফ‘ঊলে মুতলাক্ব, মাফ‘ঊলে ফীহ ইত্যাদি যাবতীয় ইসম সংজ্ঞার বাইরে চলে যায়; কারণ সেগুলোর ওপর ফায়িলের ফে‘ল সরাসরি واقع হয় না। ফলে কেবল মাফ‘ঊলে বিহীই নির্দিষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত হয়।
২. দ্বিতীয় বিষয়: মাফ‘ঊলে বিহী সংক্রান্ত মৌলিক মাসায়েল
২.১ ১ম মাসআলা: মাফ‘ঊলে বিহীকে স্বীয় আমেল ফে‘লের ওপর মুক্বাদ্দাম করা
«وَقَدْ يَتَقَدَّمُ عَلَى الْفِعْلِ، نَحْوُ: زَيْداً ضَرَبْتُ»
ক্বায়দা ও ভিত্তি: ফে‘ল হলো ব্যাকরণের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও মৌলিক আমেল (عامل قوي)। আমেল শক্তিশালী হওয়ার কারণে তার মা‘মূল তার পরেও বসতে পারে, আবার তার পূর্বে মুক্বাদ্দাম হয়েও আমল গ্রহণ করতে পারে। কিতাবের মুসান্নিফ এই হুকুমটি সাধারণভাবে উল্লেখ করেছেন; যা ইঙ্গিত করে যে মাফ‘ঊলে বিহীকে পূর্বে আনা কখনো জাওয়াযী (ঐচ্ছিক) হয়, আবার কখনো ওয়াজিবী (আবশ্যিক) হয়:
- (ক) জাওয়াযী সূরত: সাধারণ অবস্থায় মাফ‘ঊলে বিহীকে পূর্বে আনা জায়েয; যেমন: «زَيْداً ضَرَبْتُ» (মূল বাক্য ছিল: ‘ضربتُ زيداً’)।
সাহিত্যের শাহিদ: হযরত হাসসান বিন সাবিত (রাযি.)-এর বিখ্যাত নাত-এর শের:«وَأَحْسَنَ مِنْكَ لَمْ تَرَ قَطُّ عَيْنِي ... وَأَجْمَلَ مِنْكَ لَمْ تَلِدِ النِّسَاءُ»
এখানে «أَحْسَنَ» শব্দটি «لَمْ تَرَ» ফে‘লের এবং «أَجْمَلَ» শব্দটি «لَمْ تَلِدِ» ফে‘লের মাফ‘ঊলে বিহী; যা ছন্দ ও বালাগাতগত সৌন্দর্যের কারণে স্বীয় আমেলের পূর্বে মুক্বাদ্দাম হয়েছে। - (খ) ওয়াজিবী সূরত: যদি মাফ‘ঊলে বিহী এমন শব্দ হয় যা বাক্যের শুরুতে আসা আবশ্যক (صدارت كَلام-এর অধিকারী); যেমন ইসমুল ইস্তিফহাম (প্রশ্নবোধক সর্বনাম)।
দৃষ্টান্ত: কেউ প্রশ্ন করল: «مَنْ رَأَيْتَ؟» (তুমি কাকে দেখেছ?)। এখানে «مَنْ» মূলত «رَأَيْتَ» ফে‘লের মাফ‘ঊলে বিহী। কিন্তু ইস্তিফহামের শব্দ সর্বদা বাক্যের শুরুতে আনা ওয়াজিব বিধায় একে পরে নেওয়া নাজায়েয[২]।
২.২ ২য় মাসআলা: ক্বরীনা সাপেক্ষে আমেল ফে‘লকে জাওয়াযীভাবে মাহযূফ করা
«وَقَدْ يُحْذَفُ الْفِعْلُ لِقِيَامِ قَرِينَةٍ جَوَازاً كَقَوْلِكَ: زَيْداً، لِمَنْ قَالَ: مَنْ أَضْرِبُ؟»
মূল ক্বায়দা: বাক্যে কোনো স্পষ্ট ক্বরীনা (আলামত বা ইঙ্গিত) বিদ্যমান থাকলে মাফ‘ঊলে বিহীর আমেল ফে‘লকে জাওয়াযীভাবে (ইচ্ছে হলে প্রকাশ করা, ইচ্ছে হলে উহ্য রাখা) মাহযূফ রাখা যায়। এই ক্বরীনা দুই প্রকার হতে পারে:
- (১) ক্বরীনায়ে মাক্বালী বা লফযী (কথিত প্রমাণ): কোনো ব্যক্তি প্রশ্ন করল: «مَنْ أَضْرِبُ؟» (আমি কাকে মারব?)। জবাবে আপনি শুধু বললেন: «زَيْداً» (যায়েদকে)।
এখানে «زَيْداً» মানসূব হয়েছে, অথচ বাহ্যত কোনো আমেল নেই। কারণ তার আমেল ফে‘লটি মাহযূফ রয়েছে। আর এখানে ক্বরীনা হলো প্রশ্নকারীর স্বয়ং প্রশ্নটি। নাহবের প্রসিদ্ধ ক্বায়দা:«اَلْمَذْكُورُ فِي السُّؤَالِ كَالْمَوْجُودِ فِي الْجَوَابِ»
(প্রশ্নে যা উচ্চারিত হয়, তা উত্তরের ভেতরেও বিদ্যমান হিসেবে ধর্তব্য হয়)। অতএব মূল বাক্য হলো: «اِضْرِبْ زَيْداً»। - (২) ক্বরীনায়ে হালী (অবস্থাভিত্তিক প্রমাণ): কোনো এক ব্যক্তি ইহরামের চাদর পরিধান করে লাব্বাইক ধ্বনি দিচ্ছে এবং চোখে অশ্রু ঝরছে। তার এই সার্বিক অবস্থা দেখে এক ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞাসা করল: «مَكَّةَ؟» অথবা «حَجَّ الْبَيْتِ؟»। জবাবে মুসাফির বললেন: «نَعَمْ، مَكَّةَ» (হ্যাঁ, মক্কা)।
এখানে «مَكَّةَ» এবং «حَجَّ الْبَيْتِ» উভয়টিই মানসূব হয়েছে একটি মাহযূফ ফে‘ল «أَتَقْصِدُ مَكَّةَ؟» বা «أَتُرِيدُ حَجَّ الْبَيْتِ؟»-এর কারণে। এখানে ক্বরীনা কোনো লফয বা মুখের কথা নয়; বরং মুসাফিরের চাক্ষুষ দৃশ্যমান অবস্থা (قَرِينَةٌ حَالِيَّةٌ)।
২.৩ ৩য় মাসআলা: আমেল ফে‘লকে ওয়াজিবীভাবে মাহযূফ করা (১ম স্থান: সামাঈ)
«وَوُجُوباً فِي أَرْبَعَةِ مَوَاضِعَ: الْأَوَّلُ سَمَاعِيٌّ»
মূল ক্বায়দা: মাফ‘ঊলে বিহীর আমেল ফে‘লকে চারটি স্থানে ওয়াজিবীভাবে মাহযূফ করতে হয় (যেখানে ফে‘ল মুখে উচ্চারণ করা সম্পূর্ণরূপে নাজায়েয)। এই চারটির মধ্যে প্রথম স্থানটি হলো ‘সামাঈ’, এবং অবশিষ্ট তিনটি স্থান হলো ‘ক্বিয়াসী’ (যা পরবর্তী দরসে আসবে)।
‘সামাঈ’ হওয়ার অর্থ হলো: এর পেছনে কোনো সাধারণ ব্যাকরণিক সূত্র নেই; বরং আরবরা ঠিক যেভাবে ব্যবহার করেছে, হুবহু সেভাবেই তা গ্রহণ করতে হবে। এর ওপর ভিত্তি করে নতুন কোনো শব্দ ক্বিয়াস করা যাবে না। মুসান্নিফ এই সামাঈ স্থানের অধীনে ৪টি মেছাল পেশ করেছেন:
- মেছাল ১: «امْرَأً وَنَفْسَهُ» (ইমরাআন ওয়া নাফসাহু):
- অর্থ: “ব্যক্তিকে তার নিজের অবস্থার ওপর ছেড়ে দাও।”
- তারকীব: এখানে «امْرَأً» শব্দটি মানসূব হয়েছে একটি ওয়াজিবীভাবে মাহযূফ ফে‘ল «اُتْرُكْ» (ছেড়ে দাও)-এর কারণে। মূল বাক্য: «اُتْرُكِ امْرَأً وَنَفْسَهُ»।
- পরবর্তী অংশের দুই সূরত: যদি ‘واو’-কে ‘ওয়াভে আতেফাহ’ ধরা হয়, তবে «امْرَأً»-এর ওপর আতফ হয়ে «نَفْسَهُ» মানসূব হবে। আর যদি ‘واو’-কে ‘ওয়াভে মা‘ঈয়্যাহ’ ধরা হয়, তবে «نَفْسَهُ» মাফ‘ঊলে মা‘আহু হিসেবে স্বতন্ত্রভাবে মানসূব হবে।
- মেছাল ২: পবিত্র কুরআনের আয়াত ﴿انْتَهُوا خَيْراً لَّكُمْ﴾:﴿ انْتَهُوا خَيْراً لَّكُمْ ﴾
- অর্থ: “তোমরা (ত্রিত্ববাদের মতো ভ্রান্ত বিশ্বাস থেকে) বিরত হও, এটা তোমাদের জন্য অতি উত্তম হবে।”
- আপত্তি ও আক্বীদাগত সমাধান: বাহ্যত পূর্বে «انْتَهُوا» ফে‘ল বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও «خَيْراً»-কে তার সরাসরি মাফ‘ঊলে বিহী না বানিয়ে আমেল মাহযূফ মানার কারণ কী?
সমাধান: যদি «خَيْراً»-কে সরাসরি «انْتَهُوا»-এর মাফ‘ঊল বানানো হয়, তবে অর্থ দাঁড়াবে: “তোমরা কল্যাণ ও উত্তম বিষয় থেকে বিরত হও!”—যা মারাত্মক কুফরী অর্থ। কারণ আল্লাহ তা‘আলা কখনো কল্যাণ থেকে বিরত হতে বলতে পারেন না। তাই অর্থ শুদ্ধ রাখতে মানতে হবে যে, এখানে «انْتَهُوا»-এর মাফ‘ঊল মাহযূফ রয়েছে এবং «خَيْراً»-এর পূর্বেও একটি ফে‘ল ওয়াজিবীভাবে মাহযূফ রয়েছে।
মূল বাক্য: «اِنْتَهُوا عَنِ التَّثْلِيثِ وَاقْصِدُوا خَيْراً لَكُمْ» (ত্রিত্ববাদ ত্যাগ করো এবং যা উত্তম তার সংকল্প করো)[৩]।
- মেছাল ৩ ও ৪: আরবদের প্রচলিত সম্ভাষণ «أَهْلاً وَسَهْلاً»:
- অর্থ: “স্বাগতম / আপনার শুভাগমন বরকতময় হোক।”
- মূল বাক্য (তাক্বদীর): বাক্যটি মূলত ছিল—«أَتَيْتَ أَهْلاً وَوَطِئْتَ سَهْلاً»।
- রূপক তাৎপর্য:
(১) «أَتَيْتَ أَهْلاً»: অর্থাৎ আপনি কোনো বেগানা বা শত্রুর আবাসে আসেননি; বরং নিজ পরিবার ও আপনজনদের মাঝেই এসেছেন।
(২) «وَوَطِئْتَ سَهْلاً»: অর্থাৎ আপনি কোনো কণ্টকাকীর্ণ পাহাড়ি পথে পা রাখেননি; বরং সমতল, নিরাপদ ও আরামদায়ক ভূমিতে পা রেখেছেন। - হিকমত: মেহমানকে সম্মান প্রদর্শন ও দ্রুত অভ্যর্থনা জানানোর সুবিধার্থে ফে‘ল দুটিকে ওয়াজিবীভাবে মাহযূফ করে কেবল মাফ‘ঊলদ্বয়কে মুখে উচ্চারণ করা হয়।
خلاصة الدرس (দরসের সার্বিক নির্যাস)
- ১. মাফ‘ঊলে বিহীর তা'রীফ: এমন ইসম যার ওপর ফায়িলের ইতিবাচক বা নেতিবাচক ফে‘ল বাস্তবায়িত হয়; যেমন: «ضَرَبْتُ زَيْداً»।
- ২. আমেলের পূর্বে আসা: মাফ‘ঊলে বিহীকে পূর্বে আনা সাধারণত জায়েয (যেমন: «زَيْداً ضَرَبْتُ»); তবে সাদারাতুল কালামের দাবি থাকলে (যেমন ইস্তিফহামের ক্ষেত্রে) তা মুক্বাদ্দাম করা ওয়াজিব।
- ৩. জাওয়াযী মাহযূফ: ক্বরীনায়ে লফযী (প্রশ্নের উত্তরে) বা ক্বরীনায়ে হালী (মুসাফিরের অবস্থায়) বিদ্যমান থাকলে আমেল ফে‘লকে উহ্য রাখা জায়েয।
- ৪. ওয়াজিবী মাহযূফ (সামাঈ ১ম স্থান): মাফ‘ঊলে বিহীর আমেল চারটি স্থানে ওয়াজিবীভাবে মাহযূফ হয়, যার প্রথম স্থানটি সামাঈ এবং এর ওপর নতুন ক্বিয়াস নিষিদ্ধ।
- ৫. সামাঈ মেছালসমূহ:
- «امْرَأً وَنَفْسَهُ» — তাক্বদীর: «اترك امرأ ونفسه»।
- ﴿انْتَهُوا خَيْراً لَّكُمْ﴾ — তাক্বদীর: «اقصدوا خيراً لكم» (অর্থের কুফরী বিকৃতি রোধে)।
- «أَهْلاً وَسَهْلاً» — তাক্বদীর: «أتيت أهلاً ووطئت سهلاً» (মেহমানের সম্মানার্থে)।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন