হোম আরবি ব্যাকরণ দরস (৩৯) : খবরের তা'রীফ, মুবতাদার তাক্বদীম-তা'খীর ও মুবতাদা নাকিরাহ হওয়ার ৬টি সুরত | দরসে কাফিয়া

দরস (৩৯) : খবরের তা'রীফ, মুবতাদার তাক্বদীম-তা'খীর ও মুবতাদা নাকিরাহ হওয়ার ৬টি সুরত | দরসে কাফিয়া

২৩ আগস্ট, ২০২৬ পড়তে ১ মিনিট লাগতে পারে
লেখা:
আরবি ব্যাকরণ ইলমে নাহব খবরের পরিচয় দরসে কাফিয়া Kafiya Dars 39
পড়তে ভালো লাগছে না? শুনে নিন
موضوع (মূল বিষয়) مرفوعات-এর চতুর্থ প্রকার: الخبر (খবর)-এর তা'রীফ, ফুয়ূদে ক্বাইদ, মুবতাদার তাক্বদীম-তা'খীর সংক্রান্ত মাসায়েল এবং মুবতাদা نكرة হওয়ার ৬টি সুরত
المتن الأصلي (মূল ইবারত) — দেখতে বা লুকাতে ক্লিক করুন
«وَالْخَبَرُ هُوَ الْمُجَرَّدُ الْمُسْنَدُ بِهِ الْمُغَايِرُ لِلصِّفَةِ الْمَذْكُورَةِ، وَأَصْلُ الْمُبْتَدَأِ التَّقْدِيمُ، وَمِنْ ثَمَّ جَازَ: (فِي دَارِهِ زَيْدٌوَامْتَنَعَ: (صَاحِبُهَا فِي الدَّارِوَقَدْ يَكُونُ الْمُبْتَدَأُ نَكِرَةً إِذَا تَخَصَّصَتْ بِوَجْهٍ مَّا، مِثْلُ: ﴿وَلَـعَبْدٌ مُّؤْمِنٌ خَيْرٌ مِّن مُّشْرِكٍ﴾، وَ(أَرَجُلٌ فِي الدَّارِ أَمِ امْرَأَةٌوَ(مَا أَحَدٌ خَيْرٌ مِنْكَوَ(شَرٌّ أَهَرَّ ذَا نَابٍوَ(فِي الدَّارِ رَجُلٌوَ(سَلَامٌ عَلَيْكَ).»

শব্দার্থ দেখতে যেকোনো আরবি শব্দের ওপর মাউস নিন (কম্পিউটারে) বা আলতো ট্যাপ করুন (মোবাইলে)।

ইবারতের সরল অনুবাদ:

"এবং খবর হলো এমন ইসম, যা ‘আওয়ামিলে লাফযিয়্যাহ’ থেকে মুক্ত, মুসনাদ বিহ (مسند به) এবং ইতিপূর্বে উল্লেখিত সিফাত (مبتدائے ثانی)-এর বিপরীত। আর মুবতাদার মূল নিয়ম হলো পূর্বে আসা (تقديم)। আর এ কারণেই «فِي دَارِهِ زَيْدٌ» বলা জায়েয, কিন্তু «صَاحِبُهَا فِي الدَّارِ» বলা নিষিদ্ধ (ممتنع)। আর মুবতাদা কখনো নাকিরাহ (نكرة)-ও হতে পারে, যখন তা কোনো না কোনোভাবে নির্দিষ্ট বা খাস (تخصيص) হয়ে যায়; যেমন: ﴿وَلَعَبْدٌ مُّؤْمِنٌ خَيْرٌ مِّن مُّشْرِكٍ﴾, «أَرَجُلٌ فِي الدَّارِ أَمِ امْرَأَةٌ», «مَا أَحَدٌ خَيْرٌ مِنْكَ», «شَرٌّ أَهَرَّ ذَا نَابٍ», «فِي الدَّارِ رَجُلٌ», এবং «سَلَامٌ عَلَيْكَ»।"

[toc]

দরসের রূপরেখা (تشریح)

আজকের দরসে মূলত তিনটি মৌলিক বিষয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে:

  1. খবরের তা'রীফ (تعريف) এবং তার ফুয়ূদে ক্বাইদ।
  2. «الْمُغَايِرُ لِلصِّفَةِ الْمَذْكُورَةِ»-এর ৩টি সুরত।
  3. মুবতাদা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মাসায়েল (মুবতাদার মূল স্থান এবং মুবতাদা نكرة হওয়ার ৬টি সুরত)।

প্রথম বিষয়: খবরের তা'রীফ ও তার ক্বাইদসমূহের বিশ্লেষণ

মুসান্নিফ (المصنف) কিতাবে খবরের পূর্ণাঙ্গ তা'রীফ বয়ান করেছেন:

«اَلْخَبَرُ هُوَ الِاسْمُ الْمُجَرَّدُ عَنِ الْعَوَامِلِ اللَّفْظِيَّةِ، الْمُسْنَدُ بِهِ، الْمُغَايِرُ لِلصِّفَةِ الْمَذْكُورَةِ»

(অর্থ: খবর হলো এমন ইসম, যা সমস্ত আওয়ামিলে লাফযিয়্যাহ থেকে খালি, মুসনাদ বিহ [مسند به] এবং ইতিপূর্বে উল্লেখিত مبتدائے ثانی-এর সীগাহ্-ই সিফাত থেকে ভিন্ন।)

দৃষ্টান্ত: «زَيْدٌ قَائِمٌ»। এখানে «قَائِمٌ» শব্দটি হলো خبر; কারণ এটি আওয়ামিলে লাফযিয়্যাহ থেকে মুক্ত, এর দ্বারা যায়েদের ওপর দণ্ডায়মান হওয়ার হুকুম লাগানো হয়েছে (مسند به), এবং এটি নাফী বা ইস্তিফহামের পরবর্তী সিফাত নয়।

তা'রীফের ক্বাইদসমূহের বিশ্লেষণ (فوائدِ قيود):
«الِاسْمُ» (جنس): এর মাধ্যমে সমস্ত প্রকারের ইসম সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হয়।
«الْمُجَرَّدُ عَنِ الْعَوَامِلِ اللَّفْظِيَّةِ» (فصل اول): এর দ্বারা حروف مشبهة بالفعل-এর খবর (যেমন: «إِنَّ زَيْدًا قَائِمٌ»-এ قائم) এবং افعال ناقصة-এর খবর (যেমন: «كَانَ زَيْدٌ قَائِمًا»-এ قائما) বের হয়ে যায়; কারণ সেগুলো আওয়ামিলে লাফযিয়্যাহ থেকে মুক্ত নয়।
«الْمُسْنَدُ بِهِ» (فصل ثانی): এর দ্বারা মুবতাদায়ে আউওয়াল (مبتدائے اول) বের হয়ে যায়; কারণ মুবতাদা হলো مسند إليه, আর খবর হলো مسند به (বা مسند)।
«الْمُغَايِرُ لِلصِّفَةِ الْمَذْكُورَةِ» (فصل ثالث): এর দ্বারা মুবতাদার দ্বিতীয় প্রকার অর্থাৎ مبتدائے ثانی (الصفة الواقعة بعد النفي أو الاستفهام) বের হয়ে যায়; কারণ মুবতাদায়ে সানীও ترکیب-এ مسند به হয়ে থাকে।

দ্বিতীয় বিষয়: مغايرت (পার্থক্য)-এর ৩টি সুরত

মুসান্নিফ যে বলেছেন খবরটি পূর্বোল্লেখিত সীগাহ্-ই সিফাতের বিপরীত হবে—এই পার্থক্য বা مغايرت মূলত ৩টি সুরতে বাস্তবায়িত হয়:

প্রথম সুরত:
খবরটি আদৌ কোনো সীগাহ্-ই সিফাত নয় (যেমন: «زَيْدٌ ضَرَبَ» অথবা «زَيْدٌ أَخُوكَ»)।
দ্বিতীয় সুরত:
খবরটি সীগাহ্-ই সিফাত বটে, কিন্তু তার পূর্বে কোনো হরফে নাফী বা হরফে ইস্তিফহাম নেই (যেমন: «زَيْدٌ قَائِمٌ»)।
তৃতীয় সুরত:
খবরটি সীগাহ্-ই সিফাত এবং তার পূর্বে হরফে ইস্তিফহামও বিদ্যমান, কিন্তু তা পরবর্তী ইসম যাহিরকে রাফ‘ প্রদানকারী নয়; বরং নিজেই খবর মুকাদ্দাম হয়েছে (যেমন: «أَقَائِمَانِ الزَّيْدَانِ»)।

তৃতীয় বিষয়: মুবতাদা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মাসায়েল

১ম মাসআলা: মুবতাদার আসল হলো পূর্বে আসা (وَأَصْلُ الْمُبْتَدَأِ التَّقْدِيمُ)

মুবতাদার স্বাভাবিক ও আসল নিয়ম হলো তা খবরের পূর্বে অবস্থান করবে।

কারণ: মুবতাদা হলো موصوفذات-এর সমতুল্য, আর খবর হলো صفتحال-এর সমতুল্য। আর স্বভাবগত ও যুক্তির নিয়ম হলো موصوفذات সবসময় صفتحال-এর পূর্বে আসে। তাই মুবতাদাকে খবরের পূর্বে রাখাই মূল বিধান (যেমন: «زَيْدٌ قَائِمٌ»)।

«فِي دَارِهِ زَيْدٌ» জায়েয কিন্তু «صَاحِبُهَا فِي الدَّارِ» নাজায়েয হওয়ার কারণ:
(ক) «فِي دَارِهِ زَيْدٌ» জায়েয হওয়ার কারণ:
এখানে «فِي دَارِهِ» হলো خبر مقدم এবং «زَيْدٌ» হলো مبتدأ مؤخر। «دَارِهِ»-এর মধ্যে যে ‘هُ’ যমীরটি রয়েছে, তা পরবর্তী মুবতাদা «زَيْدٌ»-এর দিকে ফিরেছে।
কেন জায়েয? বাহ্যত এটি إِضْمَارٌ قَبْلَ الذِّكْرِ (শব্দোল্লেখের পূর্বে যমীর ব্যবহার) মনে হলেও মূলত «زَيْدٌ» শব্দটি মুবতাদা হওয়ায় তার মূল মর্যাদা বা স্থান (رتبةً) খবরের পূর্বেই। আর ব্যাকরণের নিয়ম হলো—উচ্চারণে (لفظاً) পরে হলেও মর্যাদাগতভাবে (رتبةً) পূর্বে থাকলে সেই যমীর ব্যবহার করা সম্পূর্ণরূপে জায়েয।
(খ) «صَاحِبُهَا فِي الدَّارِ» ممتنع (নাজায়েয) হওয়ার কারণ:
এখানে «صَاحِبُهَا» হলো مبتدأ مقدم এবং «فِي الدَّارِ» হলো خبر مؤخر। «صَاحِبُهَا»-এর ‘هَا’ যমীরটি ফিরেছে পরবর্তী খবর «الدَّارِ»-এর দিকে।
কেন নাজায়েয? কারণ «الدَّارِ» শব্দটি উচ্চারণেও (لفظاً) পরে এসেছে এবং খবর হওয়ার কারণে মর্যাদাগতভাবেও (رتبةً) পরে। আর যখন কোনো যমীর لفظاًرتبةً উভয় দিক থেকেই তার মারজি‘র পূর্বে চলে আসে (إضمار قبل الذكر لفظاً ورتبةً), তখন তা আরবি ভাষায় সর্বসম্মতভাবে ممتنع ও বাতিল।

২য় মাসআলা: মুবতাদা نكرة হওয়া (مبتدا نکرہ ہونے کے مواقع)

মুবতাদার আসল নিয়ম হলো তা معرفة হতে হবে। তবে নাকিরাহ (نكرة) শব্দের মধ্যে যদি কোনো উপায়ে تخصيص (বিশেষত্ব বা অর্থগত সংকীর্ণতা) সৃষ্টি হয়, তবে তা মুবতাদা হওয়া জায়েয।

মুসান্নিফ কিতাবে تخصيص-এর ৬টি সুরতের দৃষ্টান্ত উল্লেখ করেছেন:

সুরত ১: التخصيص بالصفة (সিফাত যুক্ত হয়ে খাস হওয়া):
কুরআনী দলিল: ﴿وَلَعَبْدٌ مُّؤْمِنٌ خَيْرٌ مِّن مُّشْرِكٍ﴾।
বিশ্লেষণ: «عَبْدٌ» শব্দটি نكرة হলেও তার পরবর্তী শব্দ «مُؤْمِنٌ» দ্বারা তার صفت বর্ণনা করায় এর মধ্যে تخصيص সৃষ্টি হয়েছে এবং মা‘রিফার সাথে সাদৃশ্য লাভ করেছে। ফলে এটি মুবতাদা হওয়া সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ।
সুরত ২: التخصيص بأحد الجنسين (দুই প্রজাতির একটিকে নির্দিষ্ট করে খাস হওয়া):
উদাহরণ: «أَرَجُلٌ فِي الدَّارِ أَمِ امْرَأَةٌ» (ঘরে কি কোনো পুরুষ আছে নাকি নারী?)।
বিশ্লেষণ: ঘরে কেউ না কেউ আছে তা নিশ্চিত, কিন্তু সে পুরুষ নাকি নারী—তা জানতে চাওয়া হচ্ছে। এখানে «رَجُلٌ» শব্দটিকে ‘নারী’ প্রজাতির মোকাবেলায় এনে এক প্রকার تخصيص তৈরি করা হয়েছে; ফলে এটি মুবতাদা হয়েছে।
সুরত ৩: التخصيص بالوقوع في حيز النفي (নাফীর আওতায় এসে খাস হওয়া):
উদাহরণ: «وَمَا أَحَدٌ خَيْرٌ مِنْكَ» (আপনার চেয়ে উত্তম কেউ নেই)।
বিশ্লেষণ: কায়েদা হলো—«النَّكِرَةُ تَحْتَ النَّفْيِ تُفِيدُ الْعُمُومَ» (নাফীর অধীনে নাকিরাহ আসলে তা ব্যাপকতার অর্থ দেয়)। এখানে সকল মানুষের চেয়ে مخاطب-এর একক শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের মাধ্যমে একটি অর্থগত تخصيص অর্জিত হয়েছে। (বনু তামীমের মতে «مَا» গায়রে আমেলা হওয়ায় «أَحَدٌ» হলো মুবতাদা)।
সুরত ৪: التخصيص بصفة محذوفة / تقديم ما حقه التأخير:
উদাহরণ: «شَرٌّ أَهَرَّ ذَا نَابٍ» (কোনো এক মারাত্মক অনিষ্টই হিংস্র প্রাণীকে খেপিয়ে তুলেছে)।
বিশ্লেষণ: এখানে দুটি কারণে تخصيص হয়েছে: (১) উহ্য সিফাতের কারণে—মূল বাক্য ছিল «شَرٌّ عَظِيمٌ أَهَرَّ...»; অথবা (২) ফায়িলের যমীর থেকে بدل হওয়া শব্দটিকে পূর্বে এনে حصراختصاص সৃষ্টির কারণে।
সুরত ৫: التخصيص بتقديم الخبر (খবর মুকাদ্দাম হওয়ার মাধ্যমে খাস হওয়া):
উদাহরণ: «وَفِي الدَّارِ رَجُلٌ»।
বিশ্লেষণ: খবর «فِي الدَّارِ»-এর আসল স্থান ছিল পরে। কিন্তু তাকে মুবতাদার পূর্বে এনে حصرتخصيص সৃষ্টি করা হয়েছে; ফলে পরবর্তী নাকিরাহ «رَجُلٌ» মুবতাদায়ে মুয়াখখার হতে পেরেছে।
সুরত ৬: التخصيص بالنسبة إلى المتكلم (বক্তার আন্তরিক দোয়ার নিসবতে খাস হওয়া):
উদাহরণ: «وَسَلَامٌ عَلَيْكَ»।
বিশ্লেষণ: মূলত বাক্যটি ছিল ফে‘লিয়া—«سَلَّمْتُ سَلَامًا عَلَيْكَ»। কিন্তু ফে‘লিয়া বাক্য ক্ষণস্থায়ী (حدوث) অর্থ দেয়; বক্তার উদ্দেশ্য হলো مخاطب-এর ওপর স্থায়ী ও অবিরাম শান্তি (دواماستمرار) কামনা করা। তাই বাক্যটিকে জুমলাহ ইসমিয়া বানিয়ে «سَلَامٌ»-কে মুবতাদা করা হয়েছে, যা দোয়ার নিসবতের কারণে تخصيص লাভ করেছে।

📌 خلاصة الدرس (দরসের সার্বিক সারসংক্ষেপ)

১. খবরের তা'রীফ:

«الِاسْمُ الْمُجَرَّدُ عَنِ الْعَوَامِلِ اللَّفْظِيَّةِ الْمُسْنَدُ بِهِ الْمُغَايِرُ لِلصِّفَةِ الْمَذْكُورَةِ» — অর্থাৎ বাহ্যিক আমেলমুক্ত মুসনাদ বিহ ইসম, যা মুবতাদায়ে সানীর সিফাত থেকে ভিন্ন।

২. মুবতাদার মূল অবস্থান:

মুবতাদা মূলত موصوفذات হওয়ার কারণে খবরের পূর্বে আসাই তার আসল বিধান (تقديم)।

৩. যমীর সংক্রান্ত দুটি বিধান:
  • «فِي دَارِهِ زَيْدٌ» (জায়েয): কারণ যমীরটি لفظاً পূর্বে হলেও মুবতাদা হওয়ার কারণে رتبةً পূর্বে রয়েছে (إضمار قبل الذكر رتبةً জায়েয)।
  • «صَاحِبُهَا فِي الدَّارِ» (নাজায়েয): কারণ খবরের যমীরটি لفظاً এবং رتبةً উভয় দিক থেকেই পূর্বে চলে এসেছে (إضمار قبل الذكر لفظاً ورتبةً সম্পূর্ণ মমতানি‘)।
৪. মুবতাদা নাকিরাহ হওয়ার ৬টি সুরত:
  1. সিফাত যুক্ত হওয়া (﴿وَلَعَبْدٌ مُّؤْمِنٌ﴾)।
  2. দুই প্রজাতির একটির সাথে নির্দিষ্ট হওয়া («أَرَجُلٌ فِي الدَّارِ أَمِ امْرَأَةٌ»)।
  3. নাফীর আওতায় এসে ব্যাপকতার মাধ্যমে খাস হওয়া («وَمَا أَحَدٌ خَيْرٌ مِنْكَ»)।
  4. উহ্য সিফাত বা তাক্বদীমের দ্বারা খাস হওয়া («شَرٌّ أَهَرَّ ذَا نَابٍ»)।
  5. খবর মুকাদ্দাম হওয়ার মাধ্যমে খাস হওয়া («وَفِي الدَّارِ رَجُلٌ»)।
  6. বক্তার দোয়ার নিসবতে স্থায়ী অর্থ প্রকাশের জন্য খাস হওয়া («وَسَلَامٌ عَلَيْكَ»)।
মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন